Country

1 week ago

Cockroach Janata Party: ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভে নাবালিকা! অভিজিৎ-সৌরভদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগের আর্জি

POCSO Case Likely Against Cockroach Janata Party Leader
POCSO Case Likely Against Cockroach Janata Party Leader

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  ককরোচ জনতা পার্টির সাম্প্রতিক প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে নতুন আইনি বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। কর্মসূচিতে একাধিক নাবালক-নাবালিকার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এত কম বয়সি শিশুদের রাজনৈতিক প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করানো কতটা আইনসম্মত, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বের অভিযোগ, বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশ নাবালকদের উপরও লাঠিচার্জ করেছে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রিঙ্কি চট্টোপাধ্যায় প্রশ্ন তুলেছেন, ১২ বছর বয়সি শিশুদের এই ধরনের কর্মসূচিতে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত কে নিয়েছিল? তাঁর মতে, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত এবং এ নিয়ে এফআইআর দায়েরের আবেদনও জানিয়েছেন তিনি। 

সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই অভিজিৎ-সৌরভদের বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর দায়ের করার অনুমতি চেয়ে অভিযোগ করেছেন রিঙ্কি। তাঁর কথায়, “নিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইনস্টাগ্রামে ভিডিও করেছেন, কুমন্তব্যকারীদের ক্ষমা করেছেন। তারপর অভিজিৎ এবং সৌরভ ভিডিও পোস্ট করে দাবি করেন, ১২ বছর বয়সি বাচ্চা মেয়েদের উপর পুলিশ লাঠি চালিয়েছে সেটার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাইতে হবে। আমার প্রশ্ন, ১২ বছর বয়সি বাচ্চাকে প্রতিবাদস্থল পর্যন্ত টেনে আনল কে?” রিঙ্কি সাফ জানিয়েছেন, ১২ বছর বয়সি বাচ্চাদের সুরক্ষিত জায়গায় রাখা উচিত। ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী, শিশুদের প্রতিবাদে যুক্ত করার দায়ে পকসো আইনে মামলা দায়ের করা উচিত। প্রতিবাদের আয়োজকদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে ইতিমধ্যে চিঠি দিয়েছেন রিঙ্কি। শিলিগুড়ির সাইবার ক্রাইম থানায় তিনি জানিয়েছেন, ‘ককরোচ’দের বিরুদ্ধে জিরো এফআইআর দায়ের করতে চান। 

উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিযানে ব্যাপক লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছুড়েছে পুলিশ। মহিলা আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। আইনজীবীরা বলেন, আন্দোলনকারী মহিলাদের গোপনাঙ্গ লক্ষ্য করে আঘাত করা হয়েছে। অনেকেরই পুলিশি ব্যাজ ছিল না। এই মন্তব্যের সমর্থনে অন্তত ১১০টি ভিডিও রয়েছে বলেও জানান আইনজীবীরা। গোটা ঘটনায় একাধিক দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের হয়।  সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার অধিকারকে স্বীকৃতি দেয় সংবিধান। তাই আন্দোলন হলেই সেখানে লাঠিচার্জ করা যায় না। 

You might also like!