Breaking News
 
President Murmu to meet I.N.D.I.A. bloc leaders: জ্ঞানেশের পদত্যাগের দাবিতে একজোট ইন্ডিয়া, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বৈঠকে মমতা-রাহুলরা Appointment Letter for an Athlete: খেলার মাঠে সাফল্যের স্বীকৃতি, ৭৮ পদকজয়ী ক্রীড়াবিদকে সরকারি চাকরির পথে রাজ্য সরকার SSC Case: ২৬ হাজার নিয়োগে ফের আইনি জট, এসএসসি-র নয়া বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টে মামলা Delhi Braces For CJP Protest: জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ, ২৬ হাজার পুলিশ-আধাসেনায় ঘেরা দিল্লি, বাতিল রাজধানী এক্সপ্রেস CM Suvendu Adhikari: ‘দিমাগি নকশাল’দের বিরুদ্ধে সরব শুভেন্দু, বিকাশের পোস্ট ঘিরে সনাতন বিতর্কে নতুন উত্তাপ Mamata Banerjee: দিল্লি রওনার আগে ‘ছাপ্পা ভোট’ ইস্যুতে বিস্ফোরক মমতা, তোপ বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে

 

Country

2 weeks ago

Election Commission: জ্ঞানেশের সিদ্ধান্তে ‘ভিন্নমত’! পদত্যাগের দাবিতে বিরোধীরা, কমিশনের বিবৃতিতে নয়া বার্তা

The three top officers of the Election Commission of India
The three top officers of the Election Commission of India

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ভিন্নমতকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের একাধিক সিদ্ধান্তে অপর দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তি ছিল। প্রতিবেদনটি প্রকাশ্যে আসার পরই জাতীয় রাজনীতিতে তা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিরোধী দলগুলির একাংশ জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি তোলার পাশাপাশি বাংলা, বিহার-সহ একাধিক রাজ্যের নির্বাচন বাতিলের দাবিও জানিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিবৃতি দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যে কোনও সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ রয়েছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং ঐকমত্যকেই গুরুত্ব দেওয়া হয়। ফলে কমিশনের অন্দরে ভিন্নমতের সম্ভাবনা থাকলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নির্বাচন কমিশন। 

বুধবার সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে’র একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ১৪ বার কমিশনের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের লিখিত আপত্তি জানিয়েছিল দুই নির্বাচন কমিশনার। ভোটার তালিকায় নতুন নাম সংযোজন, বাদ দেওয়া, বাদ দেওয়া নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় সংযোজনের মতো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশীর সম্মতি ছিল না। প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, দুই নির্বাচন কমিশনার ফর্ম ৬-এ আনা পরিবর্তনের বিরুদ্ধে ছিলেন। 

ওই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর প্রত্যাশিতভাবেই কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা শুরু করেছে বিরোধী শিবির। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলছেন, ভোটচুরি ভারতের জনগণের বিরুদ্ধে হওয়া একটি অপরাধ। এটা আমাদের সংবিধানের বিরুদ্ধেও সরাসরি আক্রমণ। রাহুলের সাফ কথা, “নির্বাচন কমিশনার মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। এটা দেশদ্রোহিতা। আপনাদের ধরবই, রক্ষা পাবেন না।” একই সুরে আক্রমণ করেছে আম আদমি পার্টি, সমাজবাদী পার্টি, মমতা তৃণমূলও। মমতা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে এখনই বরখাস্ত করা উচিত। একই সঙ্গে দালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত হওয়া দরকার।”

শেষ বিতর্কের মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, “কমিশন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় কাজ করে। কোনও বিষয়ে সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকা অস্বাভাবিক নয়। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ধরনের আলোচনা ও মতবিনিময় হয়। কমিশনের ৩ সদস্যের পাশাপাশি অন্য আধিকারিকরাও নিজেদের মতামত স্বাধীনভাবে জানাতে পারেন।” কমিশনের দাবি, গত ১০ মাসের কিছু অভ্যন্তরীণ নোট বা পর্যবেক্ষণ আলাদা করে দেখলে পুরো বিষয়টির একটা মাত্র দিক দেখানো হয়। এই সময় কমিশন অজস্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৪০টি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধন এবং এসআইআর-ও রয়েছে। কমিশন বলছে, “কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সদস্যদের ভিন্নমত স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। এটা গোটা প্রক্রিয়াকে আরও উন্নত ও স্বচ্ছ্ব করে।”

You might also like!