Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

Country

3 weeks ago

Rahul Gandhi: ‘ট্রিপল ইঞ্জিনেও বিপর্যয়’! দিল্লিতে বাড়ি ভাঙার ঘটনায় সরকারের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন রাহুলের

Rahul Gandhi on Delhi hostel collapse
Rahul Gandhi on Delhi hostel collapse

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  রবিবার দুপুরে আচমকাই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে দিল্লির সত্য নিকেতনের একটি ছ’তলা বাড়ি। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পরই বিজেপি সরকারের দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর অভিযোগ, সরকারের বিরুদ্ধে যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের কণ্ঠরোধ করতে নানা তকমা দেওয়া হচ্ছে। রাহুলের দাবি, প্রশ্ন তুললেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁদের ‘দিমাগি নক্সাল’ কিংবা ‘নারাজ ফুফা’ বলে দাগিয়ে দিচ্ছেন। সত্য নিকেতনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনাকে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়েই এদিন সরব হন কংগ্রেস নেতা। 

লোকসভার বিরোধী দলনেতা প্রশ্ন তোলেন, দিল্লিতে ‘ট্রিপল-ইঞ্জিন’ সরকার থাকা সত্ত্বেও অসহায় অবস্থার কারণ কী? তিনি মন্তব্য করেন, এর মূলে রয়েছে সদিচ্ছার অভাব। হিন্দিতে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন রাহুল। সেখানে তিনি বলেন, এদের আসলে ‘কোনও দায়বদ্ধতা নেই’। পোস্টে TINA হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করেছেন তিনি। উল্লেখ্য মোদির সমর্থকরা এই হ্যাসট্যাগ (There Is No Alternative বা TINA) ব্যবহার করেন। অর্থাৎ কিনা মোদিই ভারতের একমাত্র যোগ্য এবং অপরিহার্য নেতা। নিজের পোস্টে রাহুল অভিযোগ করেন, বিজেপি সরকার প্রতিবারই একই লজ্জাজনক কাজ করে চলে। দুর্ঘটনার আগে কোনও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় না, ঘটনার পর কেবল লোক দেখানো তৎপরতা দেখানো হয়। সব দায় নিচু তলার কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। অথচ প্রকৃত দোষীরা জবাবদিহিতার আওতার বাইরেই থেকে যায়। তিনি বলেন, “সত্য নিকেতনে শিক্ষার্থীদের ভিড়ে ঠাসা ভবন ধসে পড়ার ঘটনা কোনও বিচ্ছিন্ন ট্র্যাজেডি নয়। গত চার মাসে সাইদুলাজাবে অনুরূপ দুর্ঘটনায় ৬ জন প্রাণ হারান। হাউজ রানিতে অগ্নিকাণ্ডে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছিল। 

সংসদের বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, “প্রতিবারই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মানুষের জীবন, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা। প্রতিবারই কোনও কার্যকর পদক্ষেপের দেখা মেলে না। আর যখনই আপনি জবাবদিহি চান, তখনই খোদ প্রধানমন্ত্রীই আপনাকে ‘দিমাগি নকশাল’ বা ‘নারাজ ফুফা’-র মতো অপমানজনক তকমা দিয়ে বসেন। উদ্দেশ্য হল, প্রশ্ন তোলার সাহস দেখানো ব্যক্তিকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং তাঁদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করা।” এখানেই না থেমে রাহুল দাবি করেন, গত ১২ বছর ধরে এই সরকার সারা বিশ্ব নিয়ে বড় বড় কথা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। কিন্তু কখনওই প্রকৃত সমস্যাগুলির সমাধান করেনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দিল্লিতে তো ‘ট্রিপল-ইঞ্জিন’ সরকার রয়েছে, তাহলে এমন অবস্থা হবে কেন?

You might also like!