Breaking News
 
WB New Airport : আকাশপথে বাংলার নতুন দিগন্ত! ৪ বিমানবন্দর চালুতে মউ স্বাক্ষর, কলকাতা-ইউরোপ সরাসরি বিমান চালানোর আর্জি মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: পুজোর আগে ‘কল্পতরু’ শুভেন্দু! ১৪,৪৫৪ নিয়োগ থেকে কর্মবন্ধুদের ভাতা বৃদ্ধি, মমতার মেডিক্যাল রিপোর্ট ইস্যুতেও বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর Milan Pradhan: নন্দীগ্রাম ভোটের আগে বড় স্বস্তি, সুপ্রিম কোর্টে মিলন প্রধানের অন্তর্বর্তী জামিন বহাল Bank Fraud Case: ব্যাঙ্ক প্রতারণা মামলায় বড় পদক্ষেপ, ওড়িশা থেকে কলকাতা, একাধিক জায়গায় ইডির হানা SIR row: এসআইআর নিয়ে জ্ঞানেশকে নোটিস শীর্ষ আদালতের, তবে সাসপেনশনের আবেদন খারিজ মঙ্গলবার উপনির্বাচন, তার আগেই নন্দীগ্রামের আইসি বদল! দায়িত্বে জেলার ট্রাফিক ইনচার্জ

 

Country

3 weeks ago

BRICS 2026: ব্রিকস মঞ্চে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা, পহেলগাঁও হামলার নিন্দা রাশিয়া-চিন-ইরানের

BRICS 2026
BRICS 2026

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি ঘোষণাপত্রে মুখ পুড়ল পাকিস্তানের! শনিবার ব্রিকস মঞ্চ থেকে একযোগে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা করল রাশিয়া-চিন-ইরান। একইসঙ্গে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে ব্রিকস সদস্যভুক্ত দেশগুলি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে ফের ইসলামাবাদকে কূটনৈতিক চাপে ফেলল নয়াদিল্লি। 

ঘোষণাপত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে অর্থ সাহায্য, এবং সন্ত্রাসবাদীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ধ্বংস করাই এখন ব্রিকস সদস্যভুক্ত দেশগুলির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে সন্ত্রাস দমনের ক্ষেত্রে ‘দ্বিমুখী নীতি’কেও প্রত্যাখ্যান করেছে ব্রিকস। প্রসঙ্গত, সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রথম থেকেই দ্বিচারিতার পথে রয়েছে পাকিস্তান। এর মাধ্যমে সেই ইসলামাবাদকেই কড়া বার্তা দেওয়া হল বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।যৌথ বিবৃতিতে ব্রিকস দেশগুলি সাফ জানিয়েছে, যে কোনও রূপেরই হোক না কেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ব্রিকস মঞে যুবসমাজের উপরও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে চরমপন্থী মনোভাব ও উগ্রবাদের প্রসার নিয়ে দেশগুলি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি, এহেন কর্মকাণ্ড সমূলে উৎপাটিত করারও উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে ব্রিকস সদস্যভুক্ত দেশষগুলি পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং যৌথ লড়াইয়েরও বার্তা দেওয়া হয়েছে।

তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল – পাকিস্তানের ‘ঘনিষ্ঠ মিত্র’ হিসাবে পরিচিত চিন। যথারীতি পহেলগাঁও হামলার পর অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন ‘বন্ধু’র পাশেই দাঁড়িয়েছিল বেজিং। শুধু তাই নয়, অস্ত্র-ড্রোন দিয়ে তারা সাহায্যও করেছিল। অন্যদিকে, ইসলামাবাদকে আবার সমর্থন জুগিয়েছিল ইরানও। কিন্তু এদিন ব্রিকস মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই পহেলগাঁও হামলারই নিন্দা করে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিল বেজিং-তেহরান।

উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে ২৬ নিরস্ত্রকে হত্যা করে লস্করের ছায়া সংগঠন টিআরএফের চার জঙ্গি। এই হামলার জবাবে ৭ মে ভোর-রাতে অপারেশন সিঁদুর শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি। এরপর ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলির জনবহুল এলাকা এবং সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় পাকিস্তান। সেই হামলা প্রতিহত করার পাশাপাশি প্রত্যাঘাত করে ভারত। তাতেই তছনছ হয়ে যায় পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ু সেনাঘাঁটি। ভারতীয় সেনার অভিযানে নিহত হয় ১০০ জনের বেশি জঙ্গি ও ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদের আর্জিতে সংঘর্ষবিরতিতে রাজি হয় নয়াদিল্লি।


You might also like!