Breaking News
 
WB HS Exam: বড় স্বস্তি পেল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা! প্রশ্নপত্র পড়ার জন্য এবার দেওয়া হবে অতিরিক্ত ১০ মিনিট—শিক্ষা সংসদের গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা Hardik Pandya: মাহিকা আসায় জীবন বদলে গেছে! পাপারাজ্জিদের সঙ্গে বিতর্কের পর প্রেমিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হার্দিক পান্ডিয়া Humayun Kabir: বিস্ফোরক অভিযোগ! সৌদি আরবের ক্বারী এনেছেন বলে দাবি, কিন্তু তারা রাজ্যেরই বাসিন্দা—মসজিদের শিলান্যাস করে ফের বিতর্কে হুমায়ুন Election Commission: কমিশনের কড়া বার্তা! অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রে নজরদারি, রাজনৈতিক দলগুলোকে এক মাসের মধ্যে সংবিধান পেশের নির্দেশ Amazon: কর্মসংস্থানে বড় সাফল্য! আমাজনের ৩১ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ—আগামী ৫ বছরে ১০ লক্ষ চাকরির সুযোগ ভারতে Abhishek Banerjee : ৬৪৬ দিনের অপেক্ষা! অভিষেকের দাবির পরেও কেন প্রকাশ হলো না 'শ্বেতপত্র'? কেন্দ্রকে চেপে ধরলেন তৃণমূল সাংসদরা

 

Country

2 weeks ago

Bhagwant Mann: স্বর্ণমন্দির সংলগ্ন তিন শহরে বিধিনিষেধ, ‘পবিত্র’ ঘোষণা আপ সরকারের!

Bhagwant Mann
Bhagwant Mann

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পাঞ্জাবের তিন শহরে মাংস, মদ ও তামাকজাত পণ্যের বিক্রি ও ব্যবহার সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। বিধানসভায় তিনি শ্রীআনন্দপুর সাহিব, তলওয়ান্ডি সাবো এবং অমৃতসরের বিশেষত স্বর্ণমন্দিরের আশপাশের এলাকাকে ‘পবিত্র শহর’ হিসেবে ঘোষণা করার কথা উল্লেখ করেছেন। 

গুরু তেগ বাহাদুরের ৩৫০তম শহিদ দিবস উপলক্ষেই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংবাদ সংস্থার খবর। জানা গিয়েছে, এই তিনটি শহরে মাংস, মদ ও তামাকজাত পণ্যের বিক্রি এবং ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এই এলাকার ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিচার করেই এই প্রস্তাব। ভগবন্ত মান বলেন, শিখদের পাঁচটি তখতের মধ্যে তিনটিই পাঞ্জাবে অবস্থিত। এই স্থানগুলোর সম্মান রক্ষার্থে এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার এই পবিত্র শহরগুলোর উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় পর্যটন প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ করবে। 

প্রথমবারের মতো পাঞ্জাব বিধানসভা অধিবেশন চণ্ডীগড়ের বাইরে অনুষ্ঠিত হয়। সেই অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে রূপনগর জেলার আনন্দপুর সাহিব, তলওয়ান্ডি সাবো এবং অমৃতসরের বিশেষত স্বর্ণমন্দিরের আশপাশের এলাকাকে ‘পবিত্র শহর’ ঘোষণা করার প্রস্তাব পাস হয়। প্রস্তাব পাস হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান সাংবাদিকদের জানান, এই ঘোষণাটি কোনো একক রাজনৈতিক দল, সম্প্রদায় বা ধর্মের দাবি নয়, বরং এটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপী প্রচারের একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ।   

You might also like!