Country

1 week ago

BJP STRATEGY: মোদির বাড়িতে মধ্যরাতের রুদ্ধদ্বার বৈঠক, উপস্থিত শাহ-সহ শীর্ষ নেতৃত্ব, রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা

High level meeting held at PM's residence
High level meeting held at PM's residence

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বুধবার গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতীন নবীন এবং দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) বিএল সন্তোষ। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ও দলের শীর্ষ নেতারা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন বলে জানা গেলেও, বৈঠকের বিষয়বস্তু বা সিদ্ধান্ত সম্পর্কে সরকারিভাবে কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। গোটা বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে—এই বৈঠকের পর কি কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপির পক্ষ থেকে কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা বড় ঘোষণা আসতে চলেছে? 

সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু আগামী ২০ জুলাই থেকে। শোনা যাচ্ছে, তার আগেই মন্ত্রিসভায় রদবদল চূড়ান্ত করে ফেলতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্তত ৭-৮ জন সাংসদ নতুন করে মন্ত্রী হতে পারেন। প্রত্যাশিতভাবেই মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যের উপর ছাঁটাইয়ের খাঁড়া ঝুলছে। সেই তালিকায় একেবারে শীর্ষস্তরের বিজেপি নেতারাও রয়েছেন। এমনকী প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজনদের নামও শোনা যাচ্ছে। আবার নীতীন নবীন সভাপতি হওয়ার পর ৬-৭ মাস কাটতে চলল। এখনও তাঁর নিজস্ব নতুন টিম তৈরি হয়নি। শোনা যাচ্ছে, মন্ত্রিসভায় রদবদল এবং বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল একসঙ্গে হবে। সেজন্যই কী গভীর রাতে দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী? 

মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনা যখনই শোনা যাচ্ছে, তখনই আলোচনা আটকে যাচ্ছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের নামে। ধর্মেন্দ্রর ইস্তফার দাবিতে ইতিমধ্যেই কার্যত দেশজুড়ে আন্দোলন করেছে ককরোচ জনতা পার্টি। সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক ১৯ দিন ধরে তাঁর ইস্তফার দাবিতে অনশন করছেন। মোদি কি প্রধানকে ছাঁটতে চলেছেন? সমস্যা হল, তিনি সংঘের পছন্দের লোক। মোদি-শাহেরও ঘনিষ্ঠ। নিতান্তই যদি তাঁকে সরানো হয় তাহলে অন্য কোনও মন্ত্রকে পাঠানো হতে পারে। বা বিজেপির সংগঠনে বড় কোনও পদ দেওয়া হতে পারে। সেসব নিয়েও বুধবার রাতে আলোচনা হতে পারে।

অবশ্য, আলোচনার কেন্দ্র থাকতে পারে সংসদের বাদল অধিবেশনও। এই অধিবেশনেই আসন পুনর্বিন্যাস সংশোধনী পেশ করতে পারে মোদি সরকার। ওই আইন পাশ করানোর জন্য যে সংখ্যার সাংসদ প্রয়োজন সেটা প্রয়োজনে মরিয়া চেষ্টা করছে কেন্দ্র। তাতে একাধিক বিরোধী সাংসদকে সরাসরি বিজেপিতে যোগদানও করানো হচ্ছে। সেসব নিয়েও আলোচনা হতে পারে। 

You might also like!